ঢাকা কলিং প্রকল্পের সভায় বক্তারা

পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের কার্যকর প্রয়োগ হচ্ছে না

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ০০:৩১

আমাদের মনে রাখতে হবে বর্জ্যও এক ধরনের সম্পদ। তাই আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আরো সচেতন হতে হবে এবং একে কীভাবে পুনঃব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে নজর দিতে হবে। এছাড়া ঢাকায় প্রতি চার জনে এক জন মারা যান পরিবেশ দূষণের কারণে। এসব কথা বলেছেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম।

গতকাল বুধবার ‘ঢাকা কলিং প্রকল্পে’র উদ্বোধনী সভায় তিনি একথা বলেন। অনলাইনে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর শাকিল জয় এমপি। সভায় বক্তারা আইনের বিভিন্ন বিধিমালার ফাঁকফোকরের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যথোপযুক্ত বিধি না থাকার কারণে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনটির কার্যকর প্রয়োগ ব্যাহত হচ্ছে।’ পাশাপাশি পয়োবর্জ্য পরিশোধনাগারের অপ্রতুলতার কথাও তাদের বক্তব্যে উঠে আসে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তানভীর শাকিল জয় এমপি বলেন, বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নত করলে নগরের সামগ্রিক দূষণের অবস্থারও উন্নতি হবে। তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সুসমন্বিত উপায়ে পরিচালনা করা গেলে বস্তিবাসীর কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি ব্যারেল কমপোস্টিং ও কার্গো ক্যারিংয়ের মাধ্যমে শহর পরিষ্কার করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জেলা জজ শামীম আহমেদ, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুস সোবহান, অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুঁথী, ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মোহাম্মদ বদরুল আমিন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম রেজা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ‘ঢাকা কলিং প্রকল্প’ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মোল্লার বস্তি, কড়াইল বস্তি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বালুর মাঠ ও বউবাজার বস্তিতে বর্জ্যের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে কাজ করবে।