সোনারগাঁওয়ে হেফাজতের সহিংসতা মামলার ১২ আসামি গ্রেফতার

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:২৩

সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত রয়্যাল রিসোর্টে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের ইস্যুতে হেফাজতের কর্মীদের সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতার বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রয়্যাল রিসোর্টে ভাঙচুরের মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে পাঁচ জন এবং গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে একটি মাদ্রাসায় গোপন বৈঠকের সময় আরো সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। সোনারগাঁও থানার ওসি হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে সাত জনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত বুধবার রাতে ও গতকাল বৃহস্পতিবার পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চার জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের পঞ্চবটি গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে রাজু ও আবু রায়হান এবং মোক্তার হোসেনের ছেলে ইমরান, খাসনগর দিঘিরপাড় গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে আকাশ। এর আগে রিসোর্টে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে সোনারগাঁওয়ের বাংলাবাজার এলাকা থেকে মো.মোস্তফা নামে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা পিরোজপুরের শান্তিনগর এলাকায় একটি মাদ্রাসায় গোপন বৈঠক করার সময় আরো সাত জন হেফাজতকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা সহিংস ঘটনার এজাহারভুক্ত আসামি। তবে পুলিশ তাদের নাম প্রকাশ করেনি।

সোনারগাঁওয়ে ভাঙচুর, সহিংসতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সোনারগাঁও থানার পুলিশের দুই কর্মকর্তা বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন। দুটি মামলায় মামুনুল হকসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৫০০-৬০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় হেফাজতের কর্মীদের ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা শতাধিক আসামি করা হয়।

সোনারগাঁও থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, হেফাজতের নেতাকর্মীদের সহিংসতার ঘটনায় মামলায় এজাহারভুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।