স্পোর্টস রিপোর্টার
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিত্সা নিয়ে হকি মাঠে ফিরেই কিমি কর্মকার দেখলেন ফাইনাল শেষ। তার দল নড়াইল চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে। মুহূর্তেই হাতের যন্ত্রণার কথা ভুলে গেলেন নড়াইল অধিনায়ক কিমি কর্মকার। গেমস হকির নারী ফাইনালে নড়াইল ১-০ গোলে ঝিনাইদহকে হারিয়ে স্বর্ণ পদক জয় করে। নমিতা কর্মকার গোল করেন। রাতে হকি স্টেডিয়ামে সেনাবাহিনী সাডেন ডেথে ৩(৪)-৩(৩) গোলে নৌবাহিনীকে হারিয়ে স্বর্ণপদক জয় করে।
গতকাল ফাইনালে গোলের পরই প্র্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে আহত হন কিমি কর্মকার। যন্ত্রণায় কাতর এই খেলোয়াড়কে ম্যানেজার মমিনুর রহমান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিমি কর্মকারের ডান হাতের কুনইয়ের জোড়া ছুটে গিয়েছিল। ঢাকা মেডিক্যাল হতে এক্সরে করিয়ে ব্যান্ডেজ দিয়ে হাত বেঁধে দেওয়া হয়। চিকিত্সা শেষে আবার মাঠে ফিরে এসে দেখেন ১ গোলে এগিয়ে থাকা তার দল নড়াইল চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে। ফাইনালের দায়িত্বে থাকা ডা. সুমাইয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মেয়েটার (কিমি কর্মকার) রাইট এলবো ডিসপ্লেস হয়ে গেছে।’
হাসপাতাল হতে ফিরে ম্যানেজার মমিনুর রহমান বলেন, ‘কিমি কর্মকারকে তিন সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন ডাক্তার।’ খেলা শেষে নড়াইলের কোচ ফজলু জানালেন, ‘মেয়েরা আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমার জীবনে রৌপ্য পদক পেয়েছি এবার মেয়েরা স্বর্ণ উপহার দিয়েছে। মেয়েদের খেলা অনেক উন্নতি করেছে। এদেরকে ধরে রাখতে হবে।’ ঝিনাইদহের কোচ জামাল হোসেন বলেন, আমাদের ব্যাডলাক। হাইভোল্টেজ ম্যাচে এমন সুযোগ বারবার আসে না।’ রেশমার গোলে কিশোরগঞ্জ জেলা ১-০ গোলে দিনাজপুর জেলা দলকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে।
