টেস্ট ক্রিকেটের উন্নতি অত্যাবশ্যক

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২১, ২২:০০

টেস্ট ফরম্যাটকে বৈশ্বিক ক্রিকেটের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হলেও দীর্ঘ ২১ বছরে ক্রিকেটের এই আদি ধরন যুতসই পর্যায়ে রপ্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ। টেস্টের কুলীন আঙিনায় হোমগ্রাউন্ড ও বাহির মুল্লুক মিলিয়ে সর্বমোট ১২১ ম্যাচে জয়-পরাজয় ও ড্রয়ের যে ক্রিকেটীয় পরিসংখ্যান, সেটি দেশের জন্য মোটেও আশাপ্রদ কিংবা সুখকর নয়। আইসিসি র্যাংকিং লিস্টের তলানিতে থাকা বাংলাদেশের তাই উন্নয়ন অত্যাবশ্যক।  টেস্টের মতো লং ফরম্যাটে বাংলাদেশের ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—এই তিন বিভাগেই ক্রিকেটারদের নৈপুণ্যগত ধারাবাহিক দুর্বলতা লক্ষণীয়। বিশেষ করে প্রত্যাশিত মানের ফাস্ট বোলারের সংকট, টেস্ট মেজাজে ব্যাটিংয়ে অনভ্যস্ততা, প্রয়োজনের সময় অপ্রয়োজনীয় শট খেলে সাজঘরে ফেরা, টপঅর্ডার থেকে মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের দ্রুত উইকেট খোয়ানোর প্রবণতা প্রভৃতি টেস্টে দেশের পৌনঃপুনিক বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ। দিন শেষে ক্রিকেট একটি দলীয় খেলা। তাই জয়ের লক্ষ্যে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে ভিন্ন ভিন্ন দল মাঠে নামানোর যথার্থতা ভেবে দেখা উচিত। সর্বোপরি বোর্ড, নির্বাচক, টিম ম্যানেজমেন্ট ও কোচ—সবাইকে টেস্ট ক্রিকেটের ইমেজ রক্ষায় পরিকল্পিত ছকে ক্রিকেটবান্ধব সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ওয়ারেছ আলী খান, উপজেলা সদর, নরসিংদী ১৬০২