ফুকুশিমার দূষিত পানি সাগরে ছাড়বে জাপান

আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২১, ২২:১১

চীন, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধিতা

 রয়টার্স

জাপান ভূমিকম্প ও সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ফুকুশিমা পারমাণবিক স্টেশনে থেকে ১০ লাখ টনেরও বেশি দূষিত পানি সাগরে ছাড়বে বলে জানিয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রথম পানি ছাড়া হবে প্রায় দুই বছরের মধ্যে; এতে স্টেশনটির পরিচালনা কোম্পানি টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) দূষিত পানি পরিশোধন করে ক্ষতিকর আইসোটোপ অপসারণ শুরু করার, অবকাঠামো নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন অর্জন করার সময় পাবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ করতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে একে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে উল্লেখ করেছে চীন। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান এর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

জাপান বলেছে, ২০১১ সালের ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিকল হয়ে যাওয়া এই পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পটিকে নিষ্ক্রিয় ও পুরোপুরি রূপান্তর করার কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্যই পানি ছাড়া দরকার, বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক প্লান্টগুলো থেকে একই ধরনের পরিশোধিত পানি নিয়মিত ছাড়া হয়। বিবৃতিতে জাপান সরকার বলেছে, প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলার ভিত্তিতে আমরা মহাসাগরে দূষিত পানি ছাড়ার বিষয়টি ঠিক করেছি। ফুকুশিমা দাইচি প্লান্টে প্রায় ১৩ লাখ টন দূষিত পানি বিশাল সব ট্যাঙ্কে রেখে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রতি বছর প্রায় ৯১ কোটি ২৬ লাখ ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে আর স্থান সংকুলান হচ্ছে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দূষিত পানি থেকে শুধু ট্রিটিয়াম ছাড়া বাকি সব আইসোটোপ পরিশোধন করার পরিকল্পনা করেছে টেপকো। হাইড্রোজেনের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ট্রিটিয়াম পানি থেকে পৃথক করা কঠিন।