তিন বছর বয়সি জার্মান শেফার্ড কুকুর মেজর। বাইডেন দম্পতির খুব প্রিয়। কিন্তু তাকে আপাতত হোয়াইট হাউজ ছাড়তে হচ্ছে। হোয়াইট হাউজে আসার পর দুই জনকে কামড়ে দিয়েছে মেজর। প্রথম কামড়ের পর তাকে বাইডেনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছিল। তাতেও লাভ হয়নি। মেজর আবার কামড়েছে এক জনকে। ফলে তাকে হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যেতে হচ্ছে বাড়তি প্রশিক্ষণের জন্য। আপাতত আগামী কয়েক সপ্তাহ ধরে তার প্রশিক্ষণ চলবে। জিল বাইডেনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণ হবে মেজরের স্বভাব বদলের জন্য।
হোয়াইট হাউজে প্রচুর মানুষ সব সময় থাকে। সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা ভিড় করে থাকেন। তারা প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির সঙ্গে থাকেন। তার ওপর প্রচুর কর্মী। ফলে নতুন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে অসুবিধা হচ্ছে মেজরের। বাইডেনের আরো একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর আছে, তার নাম চ্যাম্প। ১২ বছর বয়সি চ্যাম্প অবশ্য হোয়াইট হাউজের পরিবেশের সঙ্গে ঠিকই নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। গত মাসে মেজর হাঁটতে যাওয়ার সময় এক জনকে আঁচড়ে ও কামড়ে দিয়েছিল। তার আগে সিক্রেট সার্ভিসের এক এজেন্টকে সে কামড়ে দিয়েছিল। ন্যাশনাল পেটস ডেতে জিল বাইডেন দুই কুকুরের ছবি দিয়ে লিখেছিলেন, দুটিকে খুব ভালোবাসি। হোয়াইট হাউজে নিজের পোষ্যদের নিয়ে যাওয়ার একটা রীতি আছে আমেরিকার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে। ওবামার দুটি কুকুর ছিল। জর্জ বুশের তিনটি কুকুর ছিল।
