জয়পুরহাটে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে দায়িত্বরত তিন ট্রাফিক পুলিশকে মারধর

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২১, ২২:৪১

করোনার ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারা দেশের মতো জয়পুরহাটে শুরু হয়েছে আট দিনের সর্বাত্মক লকডাউন। এই লকডাউনে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে দায়িত্বপালনরত তিন ট্রাফিক পুলিশকে মারধর করেছে লকডাউন অমান্যকারী একদল যুবক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে জয়পুরহাট শহরের বিআইডিসি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জয়পুরহাট সদর থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো শহরের বুলুপাড়া মহল্লার ফকির মণ্ডলের ছেলে সানতু মণ্ডল, সাহেব পাড়া মহল্লার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে চঞ্চল হোসেন, রূপনগর মহল্লার সোলায়মান আলীর ছেলে সাগর হোসেন, গুলশান চৌমোড় মহল্লার শফিকুল ইসলামের ছেলে আশিকুর রহমান, সাহেব পাড়ার শহিদুল ইসলামের দুই ছেলে সোহাগ ইসলাম ও  শুভ ইসলাম (৩২)। এদের মধ্যে সানতু মণ্ডল ও চঞ্চল হোসেন একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য এবং হত্যা মামলার পলাতক আসামি বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও প্রশাসন) মো. তরিকুল ইসলাম। 

জানা যায়, বিআইডিসি মোড়ে পুলিশের চেক পোস্টের সামনের রাস্তা দিয়ে সানতু মণ্ডল মোটরসাইকেলযোগে যাওয়ার সময় সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় এবং মুখে মাস্ক ও মাথায় হেলমেট না থাকায় চেক পোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশেরা তাকে থামান। মোটরসাইকেলের সঠিক কাগজপত্র দেখাতে বলায় সানতুসহ স্থানীয় কয়েক জন যুবক তিন ট্রাফিক পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের মারধর করে। আহত তিন পুলিশকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সা প্রদান করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশের টাউন উপ পরিদর্শক (টি এস আই) আবুল কাশেম বাদী হয়ে রাতে জয়পুরহাট থানায় আট জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান জয়পুরহাট থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা বলেছেন, ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।