স্মৃ তি শ্র দ্ধা ...

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২১, ২১:০১

আলমগীর

এই মুহূর্তে কিছু বলার ভাষা হারিয়েছি। কবরীর সঙ্গে আমার ৫০ বছরের স্মৃতি। তার সঙ্গে প্রতিদিন ঝগড়া করতাম, আবার মিলেও যেতাম। খুবই স্নেহ, আর ভালোবাসতেন আমাকে। খুব মনে পড়ছে দআমার জন্মভূমি’ ছবির শুটিংয়ের সময় রুম না দেওয়ায় বারান্দাতে ঘুমাতে হয়েছিল। পরের দিন কবরী সেটা দেখে নিজে টাকা দিয়ে চকি, চাদর, বালিশ এনে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দিলেন। এগুলো অসাধারণ ব্যাপার! কবরীর তুলনা কবরী নিজেই। অভিনেত্রী কবরীকে মূল্যায়ন করার মতো ধৃষ্টতা আমার নেই। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

ববিতা

কবরী আপা নেই এই দুঃসংবাদটি কানাডা থেকে রাজ্জাক ভাইয়ের ছেলের বউ জানালো। আমার বিশ্বাস ছিল কবরী আপা ফেরত আসবেন। কবরী আপার সঙ্গে আমার এত এত স্মৃতি যে বলে শেষ করা যাবে না। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল আমাদের। ওনার সঙ্গে আমার শেষ দেখা হয়েছিল রাজ্জাক ভাই মারা যাওয়ার দিন এফডিসিতে। রাজ্জাক আর কবরীর শেষ দেখার সেই স্মৃতি আজও চোখে ভাসছে আমার, যা কোনোদিন ভোলার নয়। রাজ্জাক-কবরীর মতো কালজয়ী জুটি দেশের মানুষের হূদয়ে আজীবন গেঁথে রবে।

জয়া আহসান

আমরা যারা চলচ্চিত্রের বন্ধুর পথ ধরে হাঁটছি, সেটি যাদের কষ্টে তৈরি হয়েছে কবরী তাদের একজন। কোত্থেকে এসে সারাদেশের চিত্ত জয় করেছিলেন নিমেষে। তার চরিত্রের মধ্যে বাঙালি মেয়ের সজল প্রতিচ্ছবি পেয়েছিলেন দর্শকরা।  যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আপা।

শাকিব খান

কবরী আপা চলচ্চিত্রের সোনালি অতীতে সমুজ্জ্বল সাক্ষী ছিলেন। অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন কবরী আপা অভিনেত্রী পরিচয়ের বাইরে পরিচালনাতেও সুনাম অর্জন করেছিলেন। ব্যক্তিজীবনে কবরী আপা ছিলেন অত্যন্ত ব্যক্তিত্ববান একজন মানুষ।  যখনই দেখা হতো আমাকে স্নেহ করতেন। আপার মৃত্যুতে প্রিয় অভিনেত্রী হারানোর পাশাপাশি একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি।

ইমন সাহা

কবরী আন্টির সঙ্গে আমার পরিবারের সম্পর্ক আমার জন্মেরও বহু আগে। কবরী আন্টির প্রথম অভিনীত ‘সুতরাং’ ছবির সংগীত পরিচালক আমার বাবা সত্য সাহা এবং সেটাও ছিল বাবার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি। আবার আন্টির পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আয়না’র সংগীত পরিচালক ছিলাম আমি। অনেক আলাপি ছিলেন তিনি। ঈশ্বর তুমি আন্টির আত্মার মঙ্গল করো।

ফাহমিদা নবী

কবরী আন্টি পবিত্র মাসে চলে গেলেন সেটাই ভালো হলো। কাঁদতে পারি না আর! কবরী আন্টিকে আমার বকুল ফুল মনে হলো। জানি না কেন!  আন্টি অনেক যুদ্ধ করেছেন নিজের সঙ্গে নিজেই বোধহয়! অনেক ক্লান্ত ছিলেন। অনেক বেদনাকে ছাপিয়ে আবার হাঁটতে, পথ খুঁজছিলেন হয়তো!  চিরনিদ্রায় আপনার আত্মার শান্তি হোক।