জাল সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ভুয়া সনদপত্র দিয়ে পুলিশে চাকরি গ্রহণের মামলার আসামি কনস্টেবল আব্দুল মালেককে জামিন দেননি হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জাল সনদ সঠিক বলে স্টেটমেন্ট দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকেও ভর্ত্সনা করা হয়েছে। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে দেখা যায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ট্রাফিক পূর্ব বিভাগের কনস্টেবল আবদুল মালেক মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর এ, এম, উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে এসএসসি পাস করেছে বলে উল্লেখ করেন। এ ছাড়া পিতা হিসেবে মো. আব্দুর রাজ্জাকের মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র দাখিল করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, তিনি এসএসসি পাস করেননি এবং তার পিতার নাম মো. আব্দুস সাত্তার। দুদক গত ৫ অক্টোবর এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় মামলা করে। এ মামলায় ১ জানুয়ারি নিম্ন আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করে জামিন চান। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও আসামি পক্ষে আইনজীবী মো. কামাল হোসেন শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
