কাদের মির্জার ভাই ও ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২১, ২২:৫৮

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরনবী চৌধুরীর ওপর হামলা এবং গুলির ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী ও দলের সিরাজপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মিকনকে প্রধান আসামি এবং তার সহযোগী শহিদউল্যাহ রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল, কাদের মির্জার ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন ও পুত্র তাশিক মির্জার নাম উল্লেখ করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এবং অজ্ঞাত আরো ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার বেলা ১১টায় বসুরহাট পৌরসভার মাস্টারপাড়ায় একদল দুর্বৃত্ত নুরনবী চৌধুরীর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে জখম এবং গুলিবিদ্ধ করে। বর্তমানে তিনি ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিত্সাধীন।

কাদের মির্জার ১১ দফা

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল করতে ১১ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছেন। গতকাল বুধবার ভোর ৫টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তিনি এ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :নোয়াখালীর যে সব প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিরপেক্ষতা হারিয়েছে, তাদের সরিয়ে অস্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। সাংবাদিক মুজাক্কির ও অটোরিকশাচালক আলাউদ্দিন হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত বিচার করতে হবে। কোম্পানীগঞ্জে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং গত ৩ মাসের ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জে যারা নেপথ্যে থেকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তাদের নাম প্রকাশ করতে হবে।

এসময় কাদের মির্জা বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জ আমাদের শান্তির জনপদ। আমাদের প্রিয় কোম্পানীগঞ্জে যেন রক্তপাত, সংঘাত ও সংঘর্ষ না হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কাকে দিয়ে চালাবেন, তার সংসার তিনি কাকে দিয়ে গোছাবেন এটা তার ব্যাপার। আমি কারো খাই না, পরিও না। আমি অসাম্প্রদায়িক, সুখী ও সমৃদ্ধশালী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে যাব।