খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু ১৭ মার্চ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৭:৩৯

আগামী ১৭ মার্চ খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭টি অনুষদের অধীন ৫১টি বিভাগ খোলার জন্য ইউজিসিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। 

বুধবার ইউজিসি’র একটি প্রতিনিধি দল খুলনায় আসছে। প্রস্তাবিত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) ড. শহীদুর রহমান খান। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় নগরীর সোনাডাঙ্গায় (ঠিকানা. বাড়ি নম্বর ২০০, ফার্স্ট ফেজ, রোড#১২, সোনাডাঙ্গা আ/এ, খুলনা) এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দ্রুত ১০৮ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক জানান, খুলনার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হতে যাচ্ছে। যা খুলনার শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখবে। তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়কে রাজনীতি মুক্ত রাখার আহবান জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ফিতা কেটে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন: এক ডাক্তার নিরুদ্দেশ আড়াই বছর, কর্মস্থলে না থেকেও বেতন নিচ্ছেন ১১ ডাক্তার

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৫ মার্চ নগরীর খালিশপুরে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর নগরীর দৌলতপুরের কৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অব্যবহৃত ৫০ একর জমি এবং পাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন ১২ একর জমি নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়। ২০১৫ সালের ৫ জুলাই জাতীয় সংসদে ‘খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৫’ পাস হয়। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি অনুষদের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ড. শহীদুর রহমান খানকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।  

ইত্তেফাক/এমআই