খুলনায় ইসির নির্দেশনা মানছে না সম্ভাব্য প্রার্থীরা

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২২:১৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভবন, দোকান, স্থাপনা এবং যানবাহন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীর ছবি, পোস্টার, প্যানাসহ নানা প্রচার সামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হলেও খুলনায় নির্বাচন কমিশনের এ নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। গত বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত এ সকল নির্বাচনী সামগ্রী স্ব স্ব প্রার্থীরা নিজ খরচে অপসারণের নির্দেশনা ছিল, কিন্তু নগরীর বিভিন্ন রাস্তার বিদ্যুত্ পোল ও মোড়ে শত শত প্যানা-পোস্টার ও বিলবোর্ড রয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে এখনও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্যানা, বিলবোর্ড ও পোস্টার শোভা পাচ্ছে। ইসির নির্দেশনার পর কিছু কিছু বিলবোর্ড অপসারণ হলেও একাধিক প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য অধিকাংশ প্রার্থীর প্যানাই রয়ে গেছে।

এর আগে গত রবিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই নির্দেশনা সকল জেলা রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হয়। স্মারকে আরও বলা হয়, দোকান, রাস্তাঘাট, যানবাহন ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাসহ বিভিন্ন জায়গায় যাদের নামে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, ফেস্টুনসহ অন্যান্য প্রচার সামগ্রী রয়েছে তা ১৪ নভেম্বর রাত ১২টার মধ্যে নিজ খরচে অপসারণ করতে হবে। এ ছাড়া, যেসব ব্যক্তি বা যৌথ মালিকানাধীন ভবন, প্রতিষ্ঠান, দোকান, যানবাহন ও স্থাপনায় প্রচার সামগ্রী রয়েছে সেসব ভবন, প্রতিষ্ঠান, দোকান, যানবাহন, স্থাপনার মালিকদেরকেও নিজ নিজ উদ্যোগ এবং নিজ খরচে তা অপসারণ করতে হবে। এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। ১৪ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ প্রতিপালন না করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে কেএমপি কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, স্বইচ্ছায় কেউ যদি অপসারণ না করে তাহলে সিটি করপোরেশন এ সকল প্রচার সামগ্রী অপসারণে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।