পঞ্চম দিনের দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ পরপর দুই উইকেট হারানোর পর ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে জমেছিল শঙ্কার মেঘ। এমন পরিস্থিতিতে টাইগারদের ব্যাটিং ধস তো নতুন নয়! তবে সব আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়ে দলকে ভালো অবস্থানে দাঁড় করিয়েছেন তামিম-মুমিনুল। ৩৩ ওভারে দলীয় ১০০ রানের সংগ্রহ নিয়ে চা বিরতিতে গেছে টাইগাররা।
৭৪ রানে অপরাজিত তামিম ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছেন। মাত্র ৯৮ বলে এই রানসংগ্রহের পথে ১০টি চার ও তিনটি ছক্কা মেরেছেন তিনি। অন্যদিকে ধৈর্য্যের প্রতিমূর্তি অধিনায়ক মুমিনুল ৮৬ বলে ২৩ রান করে একপ্রান্ত ধরে আছেন। তবে শ্রীলঙ্কার থেকে এখনো সাত রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ব্যক্তিগত এক রানে ওপেনার সাইফ হাসানকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন লঙ্কান পেসার লাকমল। পরে সপ্তম ওভারে এই লাকমলই শূন্য রানে ফেরান আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্তকে।
ওয়ানডে গতিতে পিটিয়ে খেলে বড় লিড নিয়ে পঞ্চম দিনের প্রথম সেশন শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। তিন উইকেটে ৫১২ রান নিয়ে দিন শুরু করে এই সেশনে পাঁচ উইকেট হারালেও স্কোরবোর্ডে ১৩৬ রান যোগ করেছে লঙ্কানরা। আট উইকেটে ৬৪৮ রানের দলীয় সংগ্রহ নিয়ে লাঞ্চে যাওয়া সিংহলিদের লিড দাঁড়ায় ১০৭ এ।লাঞ্চের পর ইংনিস ঘোষণা করে তারা। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৫৪১ রানে ইনিংস ঘোষণা করে।
এর আগে, দিনের শুরুতেই নিজের পরপর দুই ওভারে আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ধনঞ্জয় ও করুণারত্নেকে ফেরান তাসকিন। ধনঞ্জয় ১৬৬ ও করুণারত্নে ২৪৪ রান করেন। এর কিছুক্ষণ পর পেসার এবাদতের শিকারে পরিণত হন নিসাঙ্কা। নতুন ব্যাটসম্যান ডিকওয়ালা হাত খুলে খেলছিলেন। ৩৩ বলে ৩১ করে রান আউট হন তিনি। এরপর রানের গতি বাড়ান এতক্ষণ দেখেশুনে খেলতে থাকা হাসারাঙ্গা। তাইজুলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তিনি করেন ৫৫ বলে ৪৩ রান।
ইত্তেফাক/এসএ
