ড্র হওয়াটাই ভাল হয়েছে: মুমিনুল 

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২১, ২১:০৪

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাটে টানা আট হার, ঘরের মাঠে টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হোয়াইটওয়াশ। বিষম চাপেই ছিল বাংলাদেশ দল। দেশের টেস্ট বাদ দিয়ে আইপিএল খেলায় ব্যস্ত সাকিব-মুস্তাফিজরা না থাকায় দলটাও পূর্ণ শক্তির ছিল না। তারপরও শ্রীলঙ্কার মাটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে মুমিনুল হকের দল। ক্যান্ডিতে সিরিজের প্রথম টেস্ট ড্র করেছে বাংলাদেশ।

যার মাধ্যমে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্টের খাতা খুলেছে টাইগাররা। গতকাল ম্যাচ ড্র হওয়ায় বাংলাদেশ ২০ পয়েন্ট অর্জন করেছে। পাল্লেকেলের ব্যাটিং বান্ধব উইকেটে লঙ্কানদের বিরুদ্ধে সমানতালেই লড়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে শান্ত-মুমিনুলের সেঞ্চুরি করেছেন প্রথম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসেও তামিম ইকবাল হাফ সেঞ্চুরি করেছেন।

সার্বিকভাবে ক্যান্ডিতে দলীয় পারফরম্যান্সে খুশি অধিনায়ক মুমিনুল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘দলগতভাবে খেললেই ভালো অবস্থানে থাকে বাংলাদেশ। 
মুমিনুল বলেছেন, ‘আমরা গত হোম সিরিজ-অ্যাওয়ে সিরিজে ওইরকম রেজাল্ট করতে পারিনি। একটা হোম সিরিজ হারার পর বিদেশে টেস্ট ড্র করতে পারা আমার কাছে মনে হয় ভাল একটা দিক। দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্যই সবার ভেতরে আত্মবিশ্বাস দেবে। সবাই দলগতভাবে খেলেছে। বাংলাদেশ যখনই দলগতভাবে খেলতে পারে তখনই ভাল অবস্থায় থাকে।’

উইকেটে কখনোই বোলাররা সাহায্য পাননি। কঠিন কন্ডিশনে ড্রয়ে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক। মুমিনুল বলেছেন, ‘ভালো উইকেট ছিল। বোলারদের তেমন কিছু ছিল না। আমার মনে হয় এটা মেনে নেওয়াই ভাল। ড্র হওয়াটাই ভাল হয়েছে।’

প্রথম ইনিংসে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তারপর দ্রুত গতিতে রান তুলে লঙ্কান বোলারদের এলোমেলো করে দেন তামিম। ১০ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেও তামিমের ওই ইনিংসই ব্যাটিংয়ের গতিপথ ঠিক করে দিয়েছিল। এমনটাই মনে করেন মুমিনুল।

মুমিনুল বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ের কথা যদি বলেন আমাদের টোন সেট করে দিয়েছে তামিম ভাই। উনার ৯০ রানের ইনিংসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর শান্ত অসাধারণ ব্যাট করেছে। আমি সবচেয়ে বেশি খুশি যে দল হিসেবে সবাই ভাল করেছে, দলীয় পারফরম্যান্স ছিল।’

পরের ম্যাচে ব্যাটিং ও পেস বোলিংয়ে উন্নতি চান মুমিনুল। নতুন বলে পেসারদের আরও ভালা করতে হবে। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে ভালো করতে টেস্টে ব্যাটিংকেই মূল শক্তি মনে করেন টেস্ট অধিনায়ক।

ইত্তেফাক/এসআই