রাজনীতির ইতিহাসে মওদুদ আহমদ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মওদুদ আহমদ আজীবন, অর্থাত্ ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সবচেয়ে বড় জিনিসটা আমার কাছে মনে হয়েছে যে, জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে বাংলাদেশে রাজনীতি করেছেন তিনি।
গতকাল রবিবার ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্মরণে বিএনপির উদ্যোগে এক ভার্চুয়াল সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তব্য রাখেন।
মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির ব্যারিস্টার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মইন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, জ্যেষ্ঠ নেতা বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্য্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুবু হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দস কাজল ও প্রয়াত নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী হাসনা মওদুদ বক্তব্য রাখেন। ১৬ মার্চ সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান সাবেক উপরাষ্ট্রপতি ও আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
ফখরুল বলেন, আইনজীবী হিসেবে, রাজনীতিবিদ হিসেবে এবং সর্বোপরি একজন লেখক ও গবেষক হিসেবে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অবশ্যই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
