বরিশাল বিভাগের প্রায় প্রতিটি জেলা উপজেলা কোনো না কোনো নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত। এসব অঞ্চলের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম নৌযান। এ অঞ্চলে এখনো সড়কপথে চলাচলের অন্যতম মাধ্যম ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। এসব মোটরসাইকেল চলাচলে মানা হচ্ছে না সড়ক আইন। ফলে হরহামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা। করোনার লকডাউনে এখন রাস্তায় এসব মোটরসাইকেল, চালকের সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। সড়কে মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রীর নিরাপত্তার জন্যই প্রয়োজন হেলমেট। এ বিষয়ে নেই কারো মাথাব্যথা। ২০১৯ সালের শেষদিকে সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ফেরাতে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ সংশোধিত হয়ে কার্যকর হয়। নতুন এই আইনে পথচারী ও চালক উভয়ের জন্যই রাখা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। নতুন আইনে লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান বা গণপরিবহন চালানো থেকে শুরু করে ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার, ট্রাফিক সংকেত না মানা, হেলমেট ব্যবহার না করলে সর্বনিম্ন পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দুই বছরের সাজার বিধান রয়েছে। আইন আছে প্রয়োগ নেই, আবার প্রয়োগ থাকলেও সচেতনতা নেই—সব মিলিয়ে এ অঞ্চলে সড়ক আইনের বাস্তবায়নের চিত্র করুন। এ অবস্থা থেকে উঠে আসার জন্য দরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতা, তেমনিভাবে যাত্রী ও চালকের দরকার সচেতনতা ও আইন সম্পর্কে সম্যক ধারণা। দক্ষিণাঞ্চলে তাই সড়ক আইন বাস্তবায়নে দরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
বাহাউদ্দিন আবির
শিক্ষার্থী,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
