বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আকস্মিক পরিদর্শন

মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সকসহ অনুপস্থিত ৩০

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:২৪

মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে এসে ছয়জন ডাক্তার ও নার্সসহ ৩০ জন কর্মচারীকে অনুপস্থিত পেয়েছেন রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অমল চন্দ্র সাহা। সোমবার হাসপাতালে এসে হাজিরা খাতায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিত ঘরে লাল চিহ্ন দেন তিনি।

৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ জন। এরমধ্যে সোমবার স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. হিরম্ব কুমার রায়, পাঁচজন চিকিত্সক ও নার্সসহ ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. হিরম্ব কুমার রায় ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি নিজেই তিনি (বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক) আসার কিছুক্ষণ পরে এসেছি। এখন হতে আর এমন হবে না বলে আশা রাখি। যারা অনুপস্থিত তাদেরকে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. অমল চন্দ্র সাহা জানান, আমি পরিদর্শনে গিয়ে অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত দেখে তাদের হাজিরা খাতায় লাল চিহ্ন দিয়ে এসেছি। এছাড়া এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছি।

তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের

দুই ডাক্তারকে শোকজ

তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, তিতাসের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাত্ পরিদর্শনে আসেন জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে দুইজন ডাক্তার অনুপস্থিত থাকায় বিধি মোতাবেক কারণ দর্শানোর জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলামকে নির্দেশ দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, উক্ত হাসপাতালে ৮ জন ডাক্তার কর্মরত আছেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ডাঃ জাহেদা হান্না ও ডাঃ মোঃ আবু বকর চৌধুরীকে শোকজ করা হয়। ব্যক্তিগত কাজে ডাঃ তানিয়া ফেরদৌস সেতু ও ডাঃ রুমানা আফরোজ সামিয়া ছুটিতে রয়েছেন। অধিদপ্তরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন ডাঃ তাসনুভা আহাম্মদ। বর্তমানে কর্মস্থলে উপস্থিত আছেন ডাঃ কেএম তানভীর হাসান মাহমুদ, ডাঃ সামসুদ্দিন আহমেদ ও ডাঃ সুদীপ কুমার দাস।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমান পরিদর্শনকালে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পথ্য সরবরাহে সন্তোষ প্রকাশ করেন। কর্মক্ষেত্রে ডাক্তারদের নির্দিষ্ট পোশাক পরিধানসহ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মোঃ নাজমুল আলম।