এ অবস্থায় নির্বাচন নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হলে নির্বাচনের দিকে এগোবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, পরিস্থিতি উন্নতি হলে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের চারটি নির্বাচন ছাড়া যে নির্বাচনগুলো আছে সবগুলোই স্থানীয় সরকারের। তাই সরকারের সিদ্ধান্ত দেখেই ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় দৈব-দুর্বিপাকজনিত কারণে ভোট পিছিয়ে দিয়েছে ইসি।
একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিতে বলেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বরতদের দায়িত্ব পালন করার জন্য সুযোগ দিয়েছে।
এক্ষেত্রে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় যখন সব অফিস খোলে দেবে এবং নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে তখনই ভোট করা হবে।
