‘বৃষ্টি হলেই পানির সমস্যা মিটবে’

খুলনায় সেচ সমস্যায় নষ্ট হচ্ছে তরমুজ

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২১, ২২:৫২

খুলনায় সেচ সমস্যায় বিপর্যস্ত সম্ভাবনাময় তরমুজ খেত। ফলে এ বছর তরমুজের আশানুরূপ উত্পাদন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন চাষিরা। এ সমস্যা সমাধানে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে স্থানীয় নদী-খাল পুনঃখনন এবং গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সংশ্লিষ্ট চাষিরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খুলনা জেলার দাকোপ, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া, রূপসা, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় এ বছর প্রায় ৭ হাজার ৩০৯ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের তরমুজের আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলায় গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। গত বছর দাকোপে ১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। এবার সেখানে ৩ হাজার ৪০৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। জেলার মোট উত্পাদিত তরমুজের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ দাকোপ উপজেলায় উত্পাদিত হয়। একইভাবে বটিয়াঘাটায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। এছাড়া কয়রায় ৬৫০ হেক্টর, ডুমুরিয়ায় ২৩০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। গত বছর জেলায় মাত্র ৩ হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল।

বটিয়াঘাটার তরমুজচাষি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পানি সেচ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। আমরা পর্যাপ্ত পানি দিতে পারছি না জমিতে।

রূপসা উপজেলার কৃষক মো. ফারুক বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ফসল ভালো হলেও চরম পানির সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাফিজুর  রহমান বলেন, গত বছর তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছিলেন চাষিরা; কিন্তু এ বছর দীর্ঘসময় বৃষ্টি না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। এছাড়া স্থানীয় পানির উত্স খাল-নদীগুলো অবৈধ দখল এবং ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচের পানির সংকট দেখা দিয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেই পানির সমস্যা মিটবে।