এ পরিস্থিতিতে এডিবির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস অর্জিত হলেও বড় অর্জন : অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:৪৩

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এডিবির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস (সাড়ে ৫ থেকে ৬ শতাংশ) আমাদের হিসাবের কাছাকাছি। তবে বছর শেষ হলে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে। এডিবি যে হিসাব দিয়েছে, সেটি অন্য অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি। বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি অর্জিত হলেও অনেক বড় অর্জন হবে বলে মনে করি।

গতকাল বুধবার ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, ২৬ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। অর্থমন্ত্রীর অগোচরে এমন পরিপত্র জারি করা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

প্রসঙ্গত:  গত ২৬ এপ্রিল অর্থবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ ইসমাঈল স্বাক্ষরিত ব্যয় ব্যস্থাপনা-৬ শাখা কর্তৃক জারি করা এক পরিপত্রে বলা হয়, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সরকারের কৃচ্ছ্র সাধন নীতির আলোকে চলতি অর্থবছরের অবশিষ্ট সময়ে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় নতুন কোন পূর্ত কাজ (নির্মাণ/স্থাপনা) এর কার্যাদেশ প্রদান করা যাবে না। এই পরিপত্রের দুই দিনের মাথায় ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পূর্ত কাজের ক্রয় আদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়।

এফবিসিসিআই যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সে বিষয়েও অর্থমন্ত্রী কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। গতকাল সাংবাদিকেরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এফবিসিসিআই থেকে এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো প্রস্তাব আসেনি। কেউ আমার সঙ্গে দেখা করেনি, কোনো আলোচনাও করেনি। এ সম্বন্ধে আমি জানি না। যখন জানব, তখন বলব।

গতকাল অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় মোট চারটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারির ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরস ডিপো (সিএমএসডি)-এর মাধ্যমে আরটি-পিসিআর টেস্ট কিট এবং পিসিআর ল্যাব কনজ্যুমেবলস সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পৃথক আরেকটি প্রস্তাবে সিএমএসডির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী ও চিকিত্সা সরঞ্জাম সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় মোট পাঁচটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।