দেশের সাহিত্যের উন্নয়ন ও বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে তরুণদের সাহিত্য-সাধনার। তাই তরুণ কবি ও লেখকদের সাহিত্যচর্চায় গতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৮ সাল থেকে তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার প্রবর্তন করেছে সাহিত্য-শিল্পী ও সংস্কৃতিবিষয়ক পত্রিকা কালি ও কলম। গতকাল মঙ্গলবার একাদশবারের মতো প্রদান করা হলো এ পুরস্কার। ২০১৮ সালে সাহিত্যচর্চায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় চার লেখককে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। নবীন এই লেখকরা হলেন কথাসাহিত্যের জন্য ‘যূথচারী আঁধারের গল্প’ গ্রন্থের জন্য নাহিদা নাহিদ ও ‘তিস্তা’ গ্রন্থের জন্য হারুন পাশা। প্রবন্ধ গবেষণা ও নাটক বিভাগে ‘হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র : চিরায়ত রসবোধ’ গ্রন্থের জন্য শাহাদত্ রুমন এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণা ও প্রবন্ধ বিভাগে ‘একাত্তরের রমজান : গণহত্যা ও নির্যাতন’ গ্রন্থের জন্য আরাফাত তানিম পুরস্কার অর্জন করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে পুরস্কারের ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য তুলে দেন অতিথিরা। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালি ও কলমের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সম্মানীয় অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও গবেষক অধ্যাপক কায়সার হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও কবি আনিসুল হক। পুরস্কৃতদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন কালি ও কলমের প্রকাশক আবুল খায়ের। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন কালি ও কলম সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য লুভা নাহিদ চৌধুরী ও অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কালি ও কলম সম্পাদক আবুল হাসনাত।
অনুষ্ঠানে বিজয়ী লেখকদের নাম ঘোষণা করেন অধ্যাপক বিশ্বজিত্ ঘোষ। শংসা বচন পাঠ করেন কবি মাহবুব সাদিক ও কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদারের সরোদবাদনের সঙ্গে হাসান আরিফের কবিতা আবৃত্তির যুগলবন্দি পরিবেশিত হয়।
