চন্দনকৃষ্ণ পাল। অবিনাশ আচার্য
গ্রন্থিক প্রকাশন
প্রকাশকাল: ফাল্গুন ১৪২৭। মূল্য: ১৭০ টাকা
বৈশ্বিক মহামারি করোনা আমাদের অনেককিছুই পালটে দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ—আমাদের ছেলেমেয়েরা অনলাইন ক্লাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। লকডাউনে আমরা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আড্ডা দিচ্ছি। করোনার প্রথম ঢেউ পার করে দ্বিতীয় ঢেউ এখন চলছে। আত্মীয়-প্রিয়জন অনেককেই আমরা হারিয়ে ফেলেছি এই করোনার যাত্রাকালে। তারপরও আমাদের জীবন থেমে নেই। সবই চলছে—এভাবেই চলবে। থেমে নেই সাংবাদিকের কলম। থেমে নেই ছড়াকার-গল্পকারেরাও। তাঁদের লেখায় অবলীলায় ঢুকে পড়ছে করোনা। এসব কথা আবার মনে পড়িয়ে দিল চন্দনকৃষ্ণ পাল ও অবিনাশ আচার্যের যৌথ ছড়ার বইটি দেখে। চন্দনের ৩২টি এবং অবিনাশের ৩৩টি ছড়া রয়েছে এতে। ছড়াগুলোর বিষয় এক করোনা হলেও উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য লক্ষণীয়। তাই পড়তে গিয়ে একঘেয়েমি ভর করে না। দুই ছড়াকারের ছড়া থেকে তার প্রমাণ হাজির করা যাক। যেমন চন্দনকৃষ্ণ পাল লিখছেন—‘সারা বিশ্ব সারা জাতি/অবাক তাকায় শূন্যতায়/বর্তমান তো যাচ্ছে চলে/ভবিষ্যত্ যে কী দেখায়!’ আর অবিনাশ আচার্যের ছড়ায় পাই—‘মাস্ক পরে কি গো হাসি দেয়া যায়/ঠোঁট করা যায় লাল?/প্রসাধন কেনা কমে গেছে বেশ/হায় রে করোনাকাল!’
