অরুয়াইল বাজার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় সর্ববৃহত্। প্রায় ১২০০ রকমারি দোকান রয়েছে এখানে। অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়িটি ছিল দোকান মালিকদের নিরাপত্তার ভরসাস্থল। পুলিশ না থাকায় অস্ত্রহীন বাজার পাহারাদারও অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। দোকানে লাখ লাখ টাকার মালামাল রেখে রাতে নিশ্চিত মনে বাড়িতে যেতেন দোকান-মালিকরা। আর এখন তাঁরা দোকান চুরি হওয়ার ভয়ে নির্ঘুম রাত কাটান। সন্ধ্যার পর বাজারটিতে নামে শ্মশানের নীরবতা। গত ২৭ মার্চ অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা হলে থানার পরিদর্শকসহ (তদন্ত) ২৫ পুলিশ সদস্য আহত হন। এরপর অরুয়াইল বাজার থেকে পুলিশ ফাঁড়ি তুলে নেওয়া হয়। হাওরাঞ্চলের এই বাজারে পুলিশ ফাঁড়ি না থাকলে চুরি, ডাকাতি হওয়া আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া বর্ষাকালে সরাইল থানাধীন হাওরাঞ্চলের গ্রামগুলোতে যেমন বরইচারা, ষাটবাড়িয়া, কাটাখালি, চর-কাকরিয়া, বনিয়ারটেক, মেঘালয় ও জয়ধরকান্দির হাওরে আগের মতো ডাকাতি ও গরু চুরি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা পুলিশ ফাঁড়িতে হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানাই। পাশাপাশি অরুয়াইল বাজারের দোকান রক্ষা ও হাওর এলাকার জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়ি আবার চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
এম মনসুর আলী
অরুয়াইল, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
