মামুনুল হকের আসল চেহারা দিবালোকের মতো স্পষ্ট —তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০২ মে ২০২১, ২২:৩৫

ইত্তেফাক রিপোর্ট

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি ভারতের নির্বাচনে সবসময় গণতন্ত্রের বিজয় হোক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসভবনে সীমিত পরিসরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে  মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের যে কোনো নির্বাচন সম্পূর্ণ তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারাই ভারতে সরকার গঠন করুন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক ও পাশের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যে নৈকট্য, তা যেন আরো গভীরে প্রোথিত হয় এবং আমাদের দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধান হোক, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা এবং আমরা চাই, ভারতে সবসময় গণতন্ত্রের বিজয় হোক। এসময় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণার দায়ের করা ধর্ষণ মামলা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সোনারগাঁওয়ের রিসোর্টে জনতার হাতে আটকের পর মামুনুল হক যাকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দেন এবং এরপরেই নিজের স্ত্রীকে ফোনে জানান, সে আসলে শহিদুল সাহেবের স্ত্রী, সেই ঝর্ণা বিয়ে না করে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ মেলামেশার অভিযোগে মামুনুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন।’ এখন জনগণের সামনে মামুনুল হকের আসল চেহারা দিবালোকের মতো স্পষ্ট প্রকাশ পেলো উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে হেফাজত নেতারা বিয়ে ছাড়াই এই সম্পর্ককে বৈধ বলে ফতোয়া দেন, তারাও আইনের দৃষ্টিতে দুষ্কর্মের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত।

এদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লকডাউন পরিস্থিতিতে খেটেখাওয়া দিনমজুর ও দরিদ্রদের মাঝে খাদ্র্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ও তাদের মিত্রদের টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেলেও জনগণের পাশে তারা নেই। তিনি বলেন, ‘মাঝে মধ্যে তাদের ঢাকা শহরে প্রেস ক্লাবের সামনে দেখা যায়, নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলন করার জন্য দেখা যায়, আর বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা যায়। অথবা ঘর থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তারা। আমরা কি কাজ করছি সেটাতে কোন ভুল আছে কিনা শুধু সেটা খুঁজে বেড়ান। তারা শুধু ভুল ধরে। নিজেরা কোন কাজ করে না, তাই আমি তাদের নাম দিয়েছি, ভুল ধরা পার্টি।