শিমুলিয়া ঘাটের ইজারাদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৫ মে ২০২১, ০০:৩৫

পদ্মা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় স্পিডবোট-ডুবিতে ২৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গত সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শিবচর উপজেলার চরজানাজাত নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই লোকমান হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। অন্যদিকে ঘটনা তদন্তে জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

মামলায় আসামি করা হয় লৌহজং উপজেলার মেদিনীমন্ডল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খানের ছোট ভাই ও শিমুলিয়া ঘাটের ইজারাদার শাহ আলম খান, স্পিডবোটের মালিক চান্দু মিয়া, জহিরুল ইসলাম ও স্পিডবোটের চালক শাহ আলমকে।

শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, রাতে চার জনকে আসামি করে নৌপুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলা তদন্ত করবে নৌপুলিশ। চার আসামির কেউ এখন পর্যন্ত গ্রেফতার নেই।  স্পিডবোটের চালক পুলিশের নজরদারিতে চিকিত্সাধীন আছে। তার অবস্থা খুবই খারাপ। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিত্সার জন্য পাঠানো হয়েছে।

চরজানাজাত নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবদুল রাজ্জাক বলেন, মামলায় আসামি সবার বাড়ি মাওয়া এলাকায়। রাতে মামলা হলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে আসামি ধরার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।

এ ঘটনায় মাদারীপুর স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজাহারুল ইসলামকে প্রধান করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুন। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের একটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইকবাল আলমকে আহ্বায়ক করা হয়। এ তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।