আসন্ন বাজেটে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল-এর ট্যাক্স ছাড় চাইলো ভিসিপিয়াব

আপডেট : ০৮ মে ২০২১, ২১:৩৭

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

 

মহামারি পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে উঠতে এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও স্টার্টআপের জন্য বিনিয়োগ ও অ্যাক্সেস টু ফিন্যান্স ত্বরান্বিত করতে অল্টারনেটিভ ফান্ড ম্যানেজারদের জন্য ট্যাক্স অব্যহতি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বিনিয়োগে ফান্ড অব ফান্ড তৈরির আহ্বান জানিয়েছে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইক্যুইটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিয়াব)। গত বৃহস্পতিবার ৬ মে সংগঠনটি আয়োজিত ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড স্টার্টআপস ফর এ পোস্ট-কোভিড রেসিলিয়েন্ট ইকোনমি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল গোলটেবিল আলোচনায় এই আহ্বান জানানো হয়। আগামী জুনে ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) এর সাথে যৌথভাবে এই ভার্চুয়াল গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে ভিসিপিয়াব।

গোলটেবিল সেশনে প্রধান অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকার ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও স্টার্টআপ খাতকে সহযোগিতা করছে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা যৌথভাবে এমন পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা করছি যেখানে স্টার্টআপগুলো সত্যিকারভাবে টিকে থাকতে পারে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়াও উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ করতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা তৈরিতে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, স্টার্টআপে বিনিয়োগ বাড়াতে ও যথাযথ নিয়মে শেয়ার বাজারে স্টার্টআপগুলোকে আনতে আমরা প্রতিনিয়তই নতুন আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করছি। প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে স্টার্টআপগুলো উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক মডেল ব্যবহার করে।

ভিসিপিয়াব সভাপতি শামীম আহসান বলেন, আমরা দৃড়ভাবে বিশ্বাস করি আগামী ১৫ বছরে বিশ্বের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ইমপ্যাক্ট তৈরিকারী ব্যবসায় উদ্যোগী হবে এবং বিশ্বের অধিকাংশ জনগণ এসব কোম্পানি থেকেই পণ্য ও সেবা গ্রহণ করবেন। এটি আমাদেরকে কোভিড-১৯ এর মতো মহামারিতে কম ক্ষতিগ্রস্ত হতে এবং একটি স্থিতিশীল অর্থনীতি তৈরিতে সহায়তা করবে। বিএসইসি কমিশনার প্রফেসর ড. শেখ সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নতুন স্টার্টআপ ব্যবসা তৈরিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। স্টার্টআপগুলোকে শুধুমাত্র যেসব শহরে প্রযুক্তির সমৃদ্ধি রয়েছে সেসব শহর আর উচ্চশিক্ষিত ও সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণীর কাছে সেবা পৌঁছালে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর আবু ফরাহ মো. নাছের বলেন, স্টার্টআপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটালকে বর্তমান নীতিমালার অধীনে সম্ভব সর্বোচ্চ পরিমাণ সহায়তা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।