বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ ২০০৫ সালে গঠন করা হয় বেসরকারি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ করে জাতিকে গুণগত শিক্ষক উপহার দেওয়ার জন্য। ২০১৬, ১৮ ও ২১ সালে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষিত বেকারদের থেকে (প্রথম গণবিজ্ঞপ্তিতে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় কোটার উল্লেখপূর্বক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, দ্বিতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে পুরুষ ও মহিলা কোটা এবং এমপিও ও নন এমপিও পদ পৃথকভাবে উল্লেখ না করে এবং তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে উচ্চ নাম্বারধারী ইন্ডেক্সধারীদের পুনরায় আবেদনের সুযোগ দিয়ে) নেওয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। তথাপি ইতিমধ্যে দেড় লক্ষাধিক বেকারকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। ২০২১ সালে যখন দেশে চলছে করোনাভাইরাসের তীব্র প্রাদুর্ভাব, লকডাউন—তখন গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে টাকা আদায় করে বেকারদের অর্থনৈতিকভাবে শোষণ করা হয়েছে। আরো পরিতাপের বিষয় হলো, একইসঙ্গে প্রাইমারি, পিএসসি, বিসিএস ও ভর্তি পরীক্ষার গুচ্ছ আবেদনের প্রত্যেকটিতে ফি প্রদান। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। বেকারদের সঙ্গে এ কেমন তামাশা? এ তামাশার সমাপ্তি হোক—এটিই নিবন্ধিত লাখ লাখ বেকারের প্রাণের দাবি।
মো. সামছুদ্দিন মামুন
হাজিগঞ্জ, চাঁদপুর
