ক্ষতিগ্রস্ত আরো ২ লাখ খামারি পাচ্ছেন ২৯২ কোটি টাকা

আপডেট : ০৯ মে ২০২১, ২২:৪৫

করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষতিগ্রস্ত আরো ২ লাখ খামারিকে ২৯২ কোটি টাকা নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এটি ঋণ নয়। ছোট ছোট প্রান্তিক খামারিরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সে জন্য এ সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এর আগে ৪ লাখ খামারিকে ৫৫৪ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে করোনা সংকটে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত কার্যক্রম ও সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘করোনায় সরকারঘোষিত চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে অনেক দপ্তরের কাজ বন্ধ থাকলেও মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খামারিদের উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কার্যক্রম বিশেষ করে সম্প্রসারণ, কৃত্রিম প্রজনন, টিকাদান, চিকিত্সা, পরামর্শ সেবা প্রদান এবং সরকারি খামারে রেণু-পোনা উত্পাদন ও সরবরাহ, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর বাচ্চা উত্পাদন ও বণ্টন অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, সরকার খামারিদের উত্পাদিত মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য কাজ করেছে। একারণে দেশের কোথাও দুধ, ডিম, মাছ, মাংসের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। এবছরও ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব বিক্রয় কেন্দ্রে বাজার দামের চেয়ে কম দামে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, সোনালী মুরগি প্রতি কেজি ২১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, ডিম প্রতিটি ৬ টাকা এবং প্যাকেট দুধ প্রতি লিটার ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় গত ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এ পর্যন্ত ২২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে।