মহেশপুর দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় ২৭ জন আটক

আপডেট : ১০ মে ২০২১, ২১:১৮

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ও মহেশপুর প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ২৭ জনকে আটক করেছে বিজিবি। এছাড়াও একজন মানুষ পারাপারের দালালকেও আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার পেক্ষাপটে সীমান্ত এলাকায় করোনা সংক্রমণের শঙ্কায় আছে স্থানীয়রা। সোমবার ভোরে মহেশপুর উপজেলার মাটিলা ও সামন্তা সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করছেন।

বিজিবির খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল কামরুল আহসান জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় মাটিলা সীমান্ত থেকে ১৯ জনকে আটক করে।  এরপর সামন্তা বিওপির একটি টহল দল বাঁশবাড়িয়া গ্রামে থেকে আট জনকে আটক করে। মাটিলা সীমান্ত থেকে আটককৃতদের মধ্যে ১৭ জনের বাড়ি নাটোর জেলায় বলে দাবি করে। বাকি দুই জনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর ও বরিশাল জেলায়। সামন্তা এলাকা থেকে আট জনকে আটক করা হয়। এছাড়াও মো. সাদ্দাম নামে এক মানুষ পাচারকারী দালালকে আটক করা হয়। তিনি মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়িয়া গ্রামের মো. নুরুউদ্দিনের ছেলে। আটককৃতদের মধ্যে চার জন নারী ও চার জন পুরুষ রয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, ফরিদপুর, যশোর ও নরসিংদী জেলায় তাদের বাড়ি বলে তারা দাবি করেছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিজিবি পাসপোর্ট আইনে মামলা দিয়ে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করেছে। মহেশপুর থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ১৭ জন বলেন, তারা বেদে সম্প্রদায়ের। নদীয়া জেলায় তারা সাপ খেলা দেখাতো। সেখানে করোনা মহামারি শুরু হলে পালিয়ে আসছিল। অন্যরা জানায়, সেখানে তারা কাজ করতো। ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. মজিবার রহমান জানান, আটককৃতদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। করোনা পরীক্ষাও করা হবে।