আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে ফিরে পাবার অতৃপ্ত বাসনায় ১৯৮১ সালের ১৭ মে তার কন্যা শেখ হাসিনাকে দেখতে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষের ঢল নেমেছিল বিমানবন্দরে। আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে এক ভিডিও বার্তায় তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হারানোর পর তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন এবং নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে ১৭ মের মতো এমন একটি শুভ দিনের অপেক্ষায় ছিল বাঙালি। শেখ হাসিনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে ছিল তারা। তাই তো দীর্ঘদিন নির্বাসন শেষে শেখ হাসিনার স্বদেশ ফেরার দিন বিমানবন্দরে ছিল বাঁধ ভাঙা মানুষের জোয়ার।
আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভূলুণ্ঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে দল ভাঙার রাজনীতি, রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন, সর্বোপরি রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এই প্রতিকূল অবস্থায় দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করে দেশকে আজ উন্নয়ন আর অগ্রগতির পথে নিয়ে এসেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ ধরেই তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়নের মহাসড়কে। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন তিনি। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্প, মাতারবাড়ী ও পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও কর্ণফুলী টানেলের কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। এই অগ্রযাত্রা শেখ হাসিনার স্বদেশে ফিরে আসার ফল।
আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাহসী পদক্ষেপে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করে চলেছেন, তেমনি ছিটমহল সমস্যার সমাধান, সমুদ্রসীমানা বিরোধেরও নিষ্পত্তি করেছেন শেখ হাসিনা। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও দুটি ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলেই সম্ভব হয়েছে। ভিডিও বার্তায় তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ১৪ দলের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।
