ভারতে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় তকতে। কর্ণাটক, কেরালা ও গোয়ায় চার জন মারা গেছেন। বিশাল এলাকা জুড়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। বিপর্যস্ত হয়েছে মুম্বাই। এ নিয়ে গত তিন বছরে ২০টি ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ল কেরালায়। রবিবার তকতে কেরালার বিশাল এলাকা জুড়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। বাড়ি ভেঙে পড়েছে। উপড়ে গেছে গাছ। বিদ্যুতের পোল ভেঙে পড়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
কেরালায় করোনার কারণে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তার ওপর আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড়। মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেছেন, কেউ যেন করোনা বিধি না ভাঙেন। দুর্গত এলাকায় খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে। কোচিতে একটি জলযান থেকে ১২ জন সহকর্মীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
কর্ণাটকেও ঝড়ের দাপটে প্রচুর বাড়ি পড়ে গেছে। মহারাষ্ট্রে গতকাল সোমবার প্রবল বৃষ্টি হয়। মুম্বাই বিমানবন্দর বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। পাঁচশর বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে হাওয়া বইছে। মুম্বাইয়ে মনোরেল চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।
গুজরাটে দেড় লাখ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় গুজরাটে আছড়ে পড়ার কথা। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, গুজরাটে ঝড়ের গতি প্রায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। গুজরাট ও মহারাষ্ট্র কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গুজরাটে পূর্ব সতর্কতা হিসেবে গতকালই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
