রাজশাহীতে ছাত্রমৈত্রী ও যুবমৈত্রীর সহস্রাধিক সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিকালে মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে বড় মসজিদের সামনে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের হাত থেকে ফুল নিয়ে তারা যোগদান করেন। আগামীতে আওয়ামী লীগের নীতি, আদর্শ ও গঠনতন্ত্র মেনে আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যোগদান করা নেতাকর্মীরা।
যোগদান অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র। নেতাকর্মীদের আওয়ামী লীগে যোগদান অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন সাবেক ছাত্রমৈত্রী ও যুবমৈত্রী নেতা অ্যাডভোকেট আবু রায়হান মাসুদ। আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে আবু রায়হান মাসুদ বলেন, এখনো বেনামে নৌকার হাল ধরেছেন, তারা অতিসত্বর সরাসরি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। বাংলাদেশে দুটি পক্ষ আছে, একটি স্বাধীনতার পক্ষ, আরেকটি স্বাধীনতার বিপক্ষের পক্ষ। আমরা স্বাধীনতার পক্ষের আওয়ামী লীগ এবং খায়রুজ্জামান লিটন ভাইয়ের হাতকে শক্তিশালী করতে যোগদান করলাম।
সভাপতির বক্তব্যে মেয়র লিটন বলেন, যখনই নির্বাচন আসে, তখনই একটি চক্র ষড়যন্ত্র করতে সক্রিয় হয়ে উঠে। এ সব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে আবারো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে হারে দেশের উন্নয়ন করছেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশে পরিণত হবে। উন্নয়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে সময় দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধারাবাহিকভাবে গত ১০ বছর ধরে উন্নয়ন করছেন। আপনার-আমার সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আগামীতে আরেক বার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে।
তিনি আরো বলেন, রাজশাহীকে সুন্দর নগরী হিসেবে গড়তে সবার সহযোগিতা চাই। আসুন আমরা সবাই মিলে সুন্দর রাজশাহীকে গড়ি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজশাহীর জন্য বড় বড় প্রকল্প আনা হবে। আগামী ৫ বছরে রাজশাহীতে ১০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করা হবে।
যোগদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, নাইমুল হুদা রানা, দপ্তর সম্পাদক মাহবুব উল আলম বুলবুল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ওমর শরীফ রাজিব, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, সদস্য আহসানুল হক পিন্টু প্রমুখ।
