দলের অত্যন্ত কঠিন সময়ে সৈয়দ আশরাফ বিশ্বস্ততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:২৭

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের সেই অত্যন্ত কঠিন দিনগুলোতে বিশ্বস্ততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি সেই দুঃসময়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন। সেই সময়ে কারাগারে থাকা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে তিনি কাজ করেছিলেন। জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য সন্তান ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। শহীদ এম মনসুর আলী ও সৈয়দ নজরুল ইসলাম যেভাবে বঙ্গবন্ধুর আজীবনের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন, একইভাবে সৈয়দ আশরাফও ছিলেন শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহকর্মী।

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গতকাল সংসদে আনা শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে মোহাম্মদ নাসিম এসব কথা বলেন। আলোচনায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বক্তব্য রাখেন। শোক প্রস্তাবের ওপর কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও জাপার রওশন এরশাদও বক্তব্য রাখেন। পরে শোক প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এরপর তার প্রতি সম্মান জানিয়ে সংসদের বৈঠক ৩৫ মিনিট মুলতবি রাখা হয়।

এছাড়াও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেন, নূরুল আলম চৌধুরী, তরিকুল ইসলাম, ড. ফজলে রাব্বী  চৌধুরী, মাওলানা নূরুল ইসলাম, আশরাফুন নেছা মোশাররফ ও বোরহান উদ্দিন খানের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়। চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার, অভিনয়শিল্পী এবং লেখক আমজাদ হোসেন; বরেণ্য সংগীতশিল্পী, সুরকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, উপ-মহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেন, নারী মুক্তিযোদ্ধা বীরপ্রতীক তারামন বিবি, জাতীয় প্রতীকের নকশাকার মোহাম্মদ ইদ্রিস, প্রখ্যাত সাংবাদিক শাহরিয়ার শহীদ, ভাষাসৈনিক সৈয়দ আব্দুল হান্নান, একাত্তরের বীরযোদ্ধা ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার কুলদীপ সিং চাঁদপুরী, চলচ্চিত্র নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল এবং সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর স্ত্রী মেহজাবিন চৌধুরীর মৃত্যুতে সংসদ গভীর শোক প্রকাশ করে।