কাশীপুরে গণধর্ষণ ও হত্যার সময় তরুণীর প্রচণ্ড জ্বর ছিল

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:৪০

ফতুল্লা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ২২ বছরের তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় শুক্কুর আলী ও টিক্কা রাকিব নামে আরো দুইজন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা বলেছেন— গণধর্ষণ ও হত্যার পূর্বে মেয়েটির প্রচণ্ড জ্বর ছিল। গতকাল বুধবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাউছার আলমের আদালত শুক্কুরের ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবীরের আদালত টিক্কা রাকিবের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

শুক্কুর (২২) খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা থানার ছোট মেরুল ২নং কলোনি ট্রাস্ট টিলার বাসিন্দা ও টিক্কা রাকিব (২০) চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানার গাজীবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ফতুল্লায় বসবাস করছেন। মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা বলেন, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক শুক্কুর জানিয়েছেন, মেয়েটি মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল। ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় শহরের কলেজ রোডে মেয়েটিকে ঘুরতে দেখে অটো রিকশায় উঠিয়ে কাশিপুরের ভোলাইল এলাকায় নিয়ে তারা আটজন মিলে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে। গত মঙ্গলবার জুয়েল নামে আরো একজন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।