বরিশালে দেশীয় মাছের মূল্য বৃদ্ধি :মত্স্য শ্রমিকদের আয়-রোজগার কমে গেছে

আপডেট : ২০ মে ২০২১, ২১:৩৭

সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাগরে ৬৫ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এ কারণে বরিশালের বৃহত্তম মাছের আড়ত পোর্ট রোড মত্স্য অবতরণ কেন্দ্রে কোনো সামুদ্রিক মাছ নেই। ফলে দাম বেড়েছে নদী, খাল-বিল, জলাশয় থেকে আহরিত দেশীয় মাছের। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পোর্ট রোড মত্স্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে তেমন কোনো সামুদ্রিক মাছ নেই।  মত্স্য শ্রমিকরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার ফলে পোর্ট রোডের প্রায় ২ হাজার শ্রমিক বিপাকে পড়েছেন। মাছের আহরণ কমে গেছে। এতে শ্রমিকদের আয়-রোজগারও কমে গেছে। এ অবস্থায় পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে সরকারি সহায়তা দাবি করেছেন তারা।

জেলা মত্স্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে জেলেদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। মত্স্য আড়ত এবং পল্লীতে পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এই সময়ে জেলেদের সাগরে যাওয়া বন্ধ করতে টাস্কফোর্সসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। কেউ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালীন বরিশাল জেলার ১ হাজার ৮২১ জন মত্স্য শ্রমিকের জন্য বিশেষ ভিজিএফ (চাল) বরাদ্দ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কাছে চাল পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন তিনি।