সীতাকুণ্ডে এক হাজার গাছ কর্তন, এলাকায় উত্তেজনা

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০১৯, ১৬:৪৮

সীতাকুণ্ডে পুলিশের উপস্থিতিতে একটি প্রতিষ্ঠান ৫০-৬০ জন ব্যক্তির মালিকানাধীন এক হাজার গাছ কেটে জমিতে জাতীয় গ্রেডের বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রতিকারের আশায় বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জিপিএস ইস্পাত কোম্পানি ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে জোরপূর্বক ২ লাখ ৩২ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করছে। কোম্পানীটি প্রথমে এলাকার জনৈক আশরাফের নেতৃত্বে ১০০/১৫০ লেবার নিয়ে ঐ জমিতে অবস্থিত ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ কাটতে শুরু করে। এ অবস্থায় ঐ জমির ৫০-৬০ জন মালিক বাধা দিলে গাছ কাটা বন্ধ হয়ে যায়। এর ৩ দিন পর গত বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) থানার ১০০-১৫০ জন পুলিশের উপস্থিতিতে প্রায় ১ হাজার কেটে সাবাড় করে দেয়।

ভূক্তভোগীরা জানান, তারা এ ঘটনায় অসহায়ের মত দূরে দাঁড়িয়ে থেকে চোখের পানি ফেলতে থাকেন। ঐ জমির মালিকরা হলেন, ইউ আই এস বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডঃ মোঃ সোলাইমান,কাস্টম স্টাফ সালেহ আহম্মদ, আওয়ামী লীগ নেতা আলী আযম, প্রবাসী সিদ্দিক আহমদ প্রঃ কালু, আব্দুল হালিম, কামাল উদ্দিনসহ ৫০/৬০ জন এবং প্রায় ৩/৪ একর জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত।

কেটে নেওয়া গাছের কিছু অংশ। ছবিঃ ইত্তেফাক।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী আলী আযম জানান, ভূক্তভোগী আমাদের কেউ কেউ সাহস করে বাধা দিলেও তারা কোন বাধা শোনেনি। তারা গায়ের জোরে পুলিশের উপস্থিতিতে সমস্ত গাছ কেটে ফেলে এবং আমার ফসলী জমির ওপর দিয়ে জাতীয় গ্রেডের বিদ্যুৎ নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘জিপিএইচ তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়েই গাছ কেটেছে।’

আরও পড়ুনঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

অপরদিকে জিপিএইচ ইস্পাতের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম শিমুল বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, ‘এ ব্যাপারটা আমার না, এটা পিজিসিবির কাজ। যেহেতু তারা জাতীয় গ্রেডের কাজ করে এবং তারাই আমাকে লাইন দেয়।’


ইত্তেফাক/নূহু