ফারুকুল ইসলাম বিব্রত
স্পোর্টস রিপোর্টার
টোকিও অলিম্পিক গেমস হবে কি হবে না তা নিয়ে এখনো সংশয় থাকলেও বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন অলিম্পিকের অ্যাথলেট মনোনয়নে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে। যোগ্যতার বিচারে না গিয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মন্টু তার পছন্দের নাম চূড়ান্ত করে সমালোচিত হচ্ছেন।
অলিম্পিক হতে একটা ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। বিওএ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনকে বলেছিল একজনের নাম পাঠাতে। আব্দুর রকিব মন্টু ৪০০ মিটার ইভেন্টের জাহির রায়হানের নাম বিওএতে পাঠায়। বিওএ জানতে পেরেছে নাম মনোনয়নে স্বচ্ছতা বজায় রাখেনি। এই নিয়ে বিতর্ক অ্যাথলেটিস অঙ্গনে।
নাম চূড়ান্ত করার দায়িত্ব অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সিলেকশন কমিটির। এই কমিটির চেয়ারম্যান ফারুকুল ইসলাম জানালেন, ‘দ্রুততম মানব ইসমাইল এবং দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। ইসমাইল এবং জহির রায়হানের নাম দেখিয়ে মন্টু বলেন, এখানে কাকে পাঠানো যায়। আমি বললাম, মিটিং ছাড়া কীভাবে সিদ্ধান্ত নেব। মন্টু বলল, মিটিং করার সময় নেই। আপনি মতামত দিয়ে দেন। আমি বলেছি, বর্তমান পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে নাম দেওয়া যেতে পারে। এটা তো মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত না। এখানে জহির কীভাবে যায়। সে অসুস্থ ছিল। তার কি অবস্থা সেটা না জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। জহিরের ব্যাপারে কীভাবে সিদ্ধান্ত হলো আমিও বুঝতে পারছি না। কাউকে পাঠাতে হলে লেটেস্ট পারফরম্যান্স বিচার করতে হয়। জহির নবম বাংলাদেশ গেমসে খেলেনি। তিন জনের সিলেকশনের মধ্যে জহির থার্ড হয়। আইওসি সেরা অ্যাথলেটকে পাঠাতে বলে। শিরিন এবং ইসমাইলের মধ্যে একজন হতে পারে। আমি জহিরের নাম বলিনি। এটা অনৈতিক হয়েছে।’ বুধবার মন্টুকে ফোন করলে তিনি সাড়া দেননি। গতকাল এই রিপোর্ট লেখার সময় ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
ফেডারেশন প্রথমে বলে জহিরের নাম সিলেকশন কমিটি দিয়েছে। এরপরই ফারুকুল ইসলাম আব্দুর রকিব মন্টুকে ফোন করলে সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রেসরিলিজ পাঠিয়ে ঘোষণা দেয় ফেডারেশন মনোনয়ন দিয়েছে। মন্টুর কাণ্ডে বিব্রত সিনিয়র ক্রীড়া সংগঠক ফারুকুল ইসলাম।
