টিকা বন্ধ ডোমারে
গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
গফরগাঁওয়ে শেষ হয়ে গেছে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের মজুত। ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তিনটি বুথসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত অস্থায়ীভাবে ঘোষিত আরো ১৫টি কোভিড ভ্যাকসিন টিকাদান বুথে টিকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এখন পর্যন্ত মাত্র ৭ হাজার ৯০ জন মানুষ প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন গ্রহণ করে। গত ৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদান কার্যক্রম। গত ৪৪ দিনে উপজেলার ৩ হাজার ৬১০ জন মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের ভিড়। সবাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন। এখন দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রাপ্তি নিয়ে তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাইন উদ্দিন খান মানিক জানান, গফরগাঁও উপজেলায় কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিনের স্টক শেষ। এতে প্রায় ৩ হাজার ৪২০ জনের দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। টিকা পেলে আবোরও কার্যক্রম শুরু হবে।
ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় করোনা ভাইরাসের টিকার মজুত শেষ হয়েছে। এতে শুক্রবার থেকে করোনার টিকা দেওয়া কার্যক্রম বন্ধ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। প্রথম পর্যায়ের টিকা নেওয়ার পর এখনো দ্বিতীয় পর্যায়ে ৮ হাজার ৩৮০ জন টিকা নেওয়ার বাকি রয়েছে। এ বিষয়ে ইপিআই কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত ডোমার উপজেলায় ১৭ হাজার ৪৫০ জনকে প্রথম পর্যায়ের টিকা দেওয়া হয়েছে। ৯ হাজার ৭০ জনকে দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। করোনার টিকার মজুত শেষ হওয়ায় এখনো দ্বিতীয় পর্যায়ের ৮ হাজার ৩৮০ জনকে টিকা দেওয়া বাকি রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান বারী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে টিকার মজুত শেষের বিষয়টি জানানো হয়েছে। টিকা পেলে আবারও কার্যক্রম শুরু হবে।
