গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ত্রাণ পৌঁছেছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে হাজার হাজার গাজাবাসী নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে অনেকের বাড়িই ধ্বংস হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রও ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। খবর রয়টার্স ও বিবিসির
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আহতদের চিকিত্সার জন্য একটি নতুন করিডর খোলার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার গাড়িকে খাবার, ওষুধ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে গতকাল গাজায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরাইল ‘কেরেম শ্যালম ক্রসিং’ খুলে দেয়। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, আশ্রয়হীন হয়ে পড়া হাজার হাজার মানুষকে সহায়তা করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। জরুরি ভিত্তিতে ৩৮ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক পরিচালক ফ্যাব্রিজো কারবোনি বলেন, দুই সপ্তাহের লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গাজাকে পুনর্গঠন করতে কয়েক বছর লাগবে। সামিরা আব্দুল্লাহ নামে এক নারী জানান, ‘আমার দোতলা বাড়ি ছিল। কিন্তু এখন সেই বাড়ি নেই, বসার জায়গা নেই, পানি নেই, বিদ্যুত্ নেই, বেড নেই, মোট কথা কিছুই নেই। আমরা ফিরেছি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও গাজায় ত্রাণসহায়তা পাঠাবে এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিলে গাজা পুনর্গঠনে অর্থসহায়তা দেবে তার প্রশাসন।
