মিরাজের সাফল্যের নেপথ্যে দেশীয় দুই কোচ

আপডেট : ২৪ মে ২০২১, ২১:৩২

গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসির ওয়ানডে বোলারদের র্যাংকিংয়েও সেরা দশে চলে আসেন তিনি। র্যাংকিংয়ের পাঁচে থাকা এই অফস্পিনার ঘরের মাঠে বোলিংয়ের দুর্দান্ত ফর্মটা ধরে রেখেছেন। গত রোববার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেও দুর্বার মিরাজের বোলিং। ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে রান তাড়ার মিশনে থাকা লঙ্কানদের ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিলেন মিরাজই।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে উইকেটের হাফ সেঞ্চুরিও পূর্ণ করেছেন তিনি। ৪৮ ম্যাচে ৫১ উইকেট পাওয়া এই তরুণ নিজের বোলিং সাফল্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দেশীয় দুই কোচের প্রতি। চলমান সিরিজে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে নেই কোনো স্পিন কোচ। তবে বাইরে থেকে মিরাজকে টিপস দিয়ে যাচ্ছেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও সোহেল ইসলাম। তাদের পরামর্শেই শানিত হচ্ছে মিরাজের বোলিং।

প্রথম ম্যাচের পর ২৩ বছরের এই অফস্পিনার বলেছেন, ‘আমি তো বোলিং করছি নেটে এবং দেশি যে কোচ আছেন, তার সঙ্গে যোগাযোগ করছি কীভাবে কী করলে ভালো হয়। এছাড়া ফাহিম স্যার (নাজমুল আবেদীন ফাহিম) তিন-চার দিন আগে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন, শ্রীলঙ্কায় টেস্ট খেলার সময় থেকেই বোলিংয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে গাইডলাইন দিচ্ছেন। আমি চেষ্টা করেছি সেসব মেনে বল করার। আর সোহেল স্যারের  (সোহেল ইসলাম) সঙ্গে তো এখন সামনে থেকেই কাজ করতে পারছি। আমি মনে করি যে, স্যাররা আমাকে ভালো গাইড করেছেন।’

ড্যানিয়েল ভেট্টোরির সঙ্গে চুক্তি নবায়ন হয়নি। গত দুই সিরিজে স্পিন কোচের দায়িত্ব পালন করা দেশীয় কোচ সোহেল ইসলাম সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে ছুটি নিয়েছেন এ সিরিজ থেকে।

গত রোববার শুরুতে লঙ্কান দুই ওপেনার দানুশকা গুণাথিলাকা, কুশল পেরেরাকে ফেরান মিরাজ। পরে মিডল অর্ডারে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা, আসেন বান্দারাকেও বোল্ড করেন তিনি। মূলত রান আটকানোর পরিকল্পনায় বোলিং করেই সফল এই তরুণ।

নিজের পরিকল্পনা নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমার পরিকল্পনা হলো সব সময় যা করি তা করার, রান আটকানো। এতে ব্যাটসম্যান ভুল করলে চান্স আসে। আমি চেষ্টা করেছি যেন ডট বল বেশি করতে পারি।’