বৃষ্টির ওপর নির্ভর করেই গ্রীষ্মকালে আউশের চাষাবাদ হয়ে থাকে। তবে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কমলগঞ্জের চাষিরা। কেউ কেউ সেচ দিয়ে চাষাবাদ শুরু করতে পারলেও অধিকাংশ এলাকার চাষিরাই বৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আউশ মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ৭৭০ হেক্টর। এখন পর্যন্ত চাষাবাদ হয়েছে মাত্র দেড় হাজার হেক্টর জমিতে। সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার যেসব অঞ্চলে আউশ চাষাবাদ হতো তার অধিকাংশ জমিই এখনো অনাবাদি পড়ে রয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় এসব জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে।
শমশেরনগরের কৃষক মোবাশ্বির আলী, সাজ্জাদ মিয়া, পতনঊষারের আক্তার মিয়া, শেরওয়ান আলী, মুন্সীবাজারের মোজাহিদ আলী বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আউশের জমি এখনো তৈরি করতে পারিনি। লাঙ্গল চালিয়ে কিছু জমি ভেঙে রাখলেও পানি না থাকায় এখন সেসব জমিও তৈরি করা যাচ্ছে না। তাছাড়া আউশের মৌসুমে অন্যান্য বছর এসময় জমিতে রোপণ শেষ হয়ে যেত। কয়েক দিনের মধ্যে যদি ভারী বৃষ্টিপাত না হয়, তাহলে আউশ চাষাবাদও সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। এতে আমাদের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন আবহাওয়ার তারতম্যজনিত কারণে কৃষকদের আউশ রোপণে বিঘ্ন হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কৃষকদের শঙ্কার কিছু নেই। শিগিগরই বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাতে কৃষকরা আউশ চাষাবাদ সম্পন্ন করতে পারবেন।
