করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট বা সংস্করণ এতকাল হয় বৈজ্ঞানিক নাম অথবা যে দেশে প্রথম মাথাচাড়া দিয়েছে সে নামে ডাকা হতো। ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা ব্রাজিল বা ভারতের ভ্যারিয়েন্ট হিসেবেই সেগুলো পরিচিত ছিল। ভারত বিষয়টি নিয়ে ঘোর আপত্তি প্রকাশ করে। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একার গ্রিক বর্ণমালার অক্ষর অনুযায়ী করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন সংস্করণের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিলো। ফলে এবার থেকে কোনো দেশের বদনাম এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা হবে। খবর ডয়চেভেলের
নতুন নামকরণ অনুযায়ী ব্রিটেনে পাওয়া করোনা ভাইরাসের সংস্করণের নাম আলফা, দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্করণের নাম বিটা, ব্রাজিলের ভ্যারিয়েন্টের নাম গামা এবং ভারতেরটির নাম ডেলটা রাখা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক মহলে অবশ্য আগের মতোই ইংরাজি অক্ষর ‘বি’ ও সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত সংজ্ঞাগুলো ব্যবহার করা হবে। যেমন ‘ব্রিটিশ’ বা এখন আলফা নামে পরিচিত ভেরিয়েন্ট বিওয়ানওয়ানসেভেন হিসেবেই পরিচিত থাকবে। নামকরণের পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সোমবার আবার করোনা মহামারি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে। এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমতে থাকলেও মহামারি মোটেই শেষ হয়ে যায়নি বলে ডাব্লিইউএইচও মনে করে। বার্ষিক বৈঠকে সংস্থার প্রধান টেড্রোস আদানোম গেব্রেইয়েসুস বলেন, ঘটনা হলো—এই মহামারি শেষ করতে এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। কোনো দেশ যদি মনে করে, বিপদ কেটে গেছে, সেটা মারাত্মক ভুল হবে। তিনি ভবিষ্যতে এমন বিপদ আরো কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে এক আন্তর্জাতিক চুক্তির ডাক দিয়েছেন। সদস্য দেশগুলো নভেম্বর মাসে মিলিত হয়ে ‘প্যান্ডেমিক ট্রিটি’ স্বাক্ষরের লক্ষ্যে কাজ শুরু করবে।
