বংশাই রোডে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি চরমে

আপডেট : ০৩ জুন ২০২১, ২১:৫৩

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংযোগ মির্জাপুর পৌরসভার বংশাই রোডে দুই পাশে ড্রেন নির্মাণ না হওয়ায় তিন উপজেলাবাসীর চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। একটু বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা ও কাদা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে ৯ ওয়ার্ড নিয়ে মির্জাপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলর মো. আলী আজম সিদ্দিকী এবং ব্যবসায়ী ও এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ‘কালিবাড়ী রোড থেকে মির্জাপুর বাইপাস ও বাইপাস থেকে ত্রিমোহন-বংশাই রোডের খুবই করুণ দশা। মূল সড়ক থেকে এই রাস্তাটি নিচু হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার ওপর হাঁটু পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চারলেন উন্নয়ন প্রকল্পের পক্ষ থেকে বংশাই রোডে ২০০ মিটার রাস্তায় ঢালাই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের জন্য স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা না হওয়ায় একুট বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।

এদিকে এই রোড দিয়ে মির্জাপুর, বাসাইল ও সখীপুর উপজেলা এবং উত্তরাঞ্চলের লতিফপুর, তরফপুর, আজগানা, বাঁশতৈল এবং ফতেপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার লোকজন যাতায়াত করে আসছে। পৌরসভার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার উন্নয়নসহ ড্রেন নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। একটু বৃষ্টিতে রাস্তায় জলাবদ্ধতা ও কাঁদায় পরিপূর্ণ হয়ে চলাচল মারাত্মকভাবে অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই এই রাস্তার উন্নয়ন না হলে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উন্নয়নের জন্য সাসেক নামে একটি উন্নয়ন সংস্থা বংশাই রোডের কাজ করেছেন। দুই পাশে ড্রেন নির্মাণসহ প্রকল্প তৈরি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। বরাদ্দ না আসায় ড্রেন নির্মাণে বিলম্ব হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে সাউথ এশিয়ান সাব রিজিওনাল অ্যান্ড ইকোনোমিক কো-অপারেশন (সাসেক)-এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বংশাই রোডের ঢালাই ও সলিংয়ের কাজ করা হয়েছে। এখন দুই পাশের ড্রেন নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ পেলেই ড্রেন নির্মাণ করা হবে।’ মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র সালমা আক্তার শিমুল বলেন, ‘বংশাই রোডের সমস্যা দীর্ঘ দিনের। এ রোডের উন্নয়ন কাজ স্থানীয় এমপির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সাসেক নামে একটি সংস্থা করেছে। তারা ড্রেন নির্মাণও করে দেবে।’