করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে জুন মাসের মাঝামাঝিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। দীর্ঘদিন ধরে লেখাপড়ার ধারাবাহিকতা বজায় না থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মধ্যেই নানারকমের আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্বাভাবিক লেখাপড়া, খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকায় শিশুকিশোর-তরুণরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। কাজেই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার আগেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও পূর্বপ্রস্তুতি একান্ত প্রয়োজন। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ভিত্তিতে বার্ষিক পরীক্ষা এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের শুধু মেধা যাচাইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংক্ষিপ্তাকারে এক থেকে দেড় ঘণ্টায় পরীক্ষা নিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা উচিত হবে না। করোনা মহামারি ও লকডাউনে মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় এবং দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থী মাসিক বেতন, ভর্তি ফি, উন্নয়ন ফি ইত্যাদি পরিশোধ করতে পারেনি। এখন অনেক অভিভাবকের পক্ষেই একসঙ্গে সমস্ত বকেয়া পরিশোধ করে সন্তানকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে এইসব ফি মওকুফ করে হলেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।
বিপ্লব বিশ্বাস
গোয়ালচামট, ফরিদপুর
