মার্কিন ক্যাপিটলে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার মতে, ক্যাপিটলে হামলাকারীদের ক্ষেত্রে অসম নীতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারাও রাজনৈতিক দাবিতে সেদিন হামলা করেছিলো। তাদের এখন বিচার করা হচ্ছে। তাই বিশ্বের অন্য কোনো দেশে সরকার বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করা উচিত হবে না। সেইন্ট পিটার্সবার্গে এক বিজনেজ ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অন্যদিকে তিনি মনে করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আগামী ১৬ জুন জেনেভায় অনুষ্ঠেয় বৈঠকে তেমন কোনো সাফল্য আসবে না। সম্প্রতিকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানিতে সাইবার হামলা রাশিয়া থেকে হয়েছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। একইসঙ্গে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়া কখনোই হস্তক্ষেপ করেনি। খবর বিবিসির।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ায় এবং বেলারুশে সরকার বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়নের নিন্দা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে পুতিন বলেন, মার্কিন ক্যাপিটলে হামলাকারীদের ওপর অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। তারা সেদিন রাজনৈতিক দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। ফোরামের সঞ্চালক এ সময় পুতিনকে বলেন, তার এই মন্তব্যের জন্য মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাকে ব্লক করতে পারে। জবাবে পুতিন বলেন, আমি এসব নিয়ে পরোয়া করি না। প্রসঙ্গত, গত ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় ৫ জন নিহত হয়। এরপর প্রায় ৫০০ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করা হয়। তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে বাইডেনের সঙ্গে আসন্ন বৈঠকে তেমন কোনো সাফল্য আসবে বলে মনে করেন না পুতিন। তার দাবি যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অগ্রগতিতে আটকে রাখতে চায়। শুক্রবার রাশিয়ার চ্যানেল ওয়ানকে দেওয়াকে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো ইস্যু নেই, বরং আমাদের সঙ্গে তাদের ইস্যু আছে। শীর্ষ বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন, করোনা মহামারি এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার মতো পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হবে।
