স্টাফ রির্পোটার, রংপুর
বিনার মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেছেন, দেশে দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে ফসল উত্পাদন বৃদ্ধির বিকল্প নেই। উন্নত ও উচ্চফলনশীল জাত নির্বাচনের মাধ্যমে ফসলের নিবিড়তা বাড়িয়ে অধিক পরিমাণ খাদ্যশস্য উত্পাদন করতে হবে। কৃষকদের জন্য লাভজনক ফসলের জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করতে হবে। এ জন্য কৃষি বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কৃষকদের কাজ করতে হবে। গতকাল রবিবার রংপুর নগরীর রাজেন্দ্রপুর পক্ষীফাঁন্দা গ্রামে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও খরা সহিষ্ণু জাত আউশ-১৯ জাতের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবসে অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে জমি কমছে, মানুষ বাড়ছে। তাই এক ফসলি জমিকে দুই ফসলি, দুই ফসলি জমিকে তিন ফসলি ও তিন ফসলি জমিকে চার ফসলিতে রূপান্তর করতে হবে। কৃষিকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করতে হবে। ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে বোরো ধান চাষাবাদ থেকে সরে এসে অন্য লাভজনক ফসল আবাদ করতে হবে। মহাপরিচালক আরো বলেন, বিনা ধান-৭ উত্তরের মঙ্গা দূর করেছে। বিনা ফসলের নিবিড়তা বাড়াতে স্বল্প মেয়াদী, উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে কৃষক পর্যায়ে তা সম্প্রসারণ করেছে। উত্তরাঞ্চলে আমন-আলু-ভুট্টা (গো-খাদ্য) ও আউশ ধানের প্রস্তাবিত শস্য বিন্যাস কৃষক পর্যায়ে জনপ্রিয় হয়েছে। এছাড়া খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য বিনা তেল, ডাল ফসল উত্পাদনের ওপর জোর দিয়েছে।
রাজেন্দ্রপুর প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বীজ প্রত্যয় কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, বিনার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. মো. কামরুজ্জামান, বিনা রংপুর উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডক্টর মোহাম্মদ আলী ও বিনা ময়মনসিংহের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সামিউল হক।
