করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর গত বছরের আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ৯ মাসে পার্বতীপুর মধ্যপাড়া খনি থেকে রেকর্ড পরিমাণ ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিকটন পাথর উত্পাদন হয়। এ সময় ১১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন পাথর বিক্রি থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৮ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিকটন পাথর বিক্রি থেকে প্রায় ২২ কোটি টাকা এবং ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৭ লাখ ৩১ হাজার ৪৯৩ টন পাথর বিক্রি থেকে ৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা মুনাফা হয়। চলতি অর্থবছরে (২০২০-২০২১) আরো বেশি মুনাফা হবে বলে আশা করছে খনি কর্তৃপক্ষ। দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ এই পাথরখনির উত্পাদন, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি পূর্ণমাত্রায় পাথর উত্পাদন করায় এবং খনি কর্তৃপক্ষ পাথর বিক্রিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ায় তিন বছর ধরে লাভের ধারা অব্যাহত রয়েছে।
জিটিসির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। এদিকে ছয় বছরে ৮৮ লাখ ৫০ হাজার টন পাথর উত্পাদনের পাশাপাশি খনি ভূগর্ভে ১৫টি স্টোপ উন্নয়নসহ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে এমজিএমসিএল। করোনার কারণে দরপত্র দাখিলের সময় কয়েক দফা বাড়িয়ে সর্বশেষ তা ২০ জুন করা হয়। তবে এ অবস্থায় নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হলে খনির উত্পাদনের বর্তমান ধারা অব্যাহত রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
