ইত্তেফাক রিপোর্ট
২০১৯-২০২০ এর ন্যায় ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদন না দেওয়ায় বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। পাশাপাশি জেন্ডার বাজেট প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপনের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মসূচিতে নারীর জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানায় মহিলা পরিষদ। গতকাল মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। অনলাইনে অনুষ্ঠিত উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মডারেটর ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরমিন্দ নিলোর্মী। আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ এবং মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক শরমিন্দ নিলোর্মী বলেন, জেন্ডার বাজেট প্রকাশিত হয়নি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জন্য থাকা বরাদ্দ এবার কমেছে। ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং ভিত্তিক সেবার ওপর কর আরোপ করায় নারী উদ্যোক্তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, জেন্ডার বাজেট বই বের না হলেও নারীর জীবন-যাপনের কল্যাণে, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে, গৃহীত প্রকল্পের অগ্রগতির মূল্যায়নের একটা সংক্ষিপ্ত খতিয়ান প্রকাশ করতে হবে।
