সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

বিনা মূল্যে বিতরণ হলে মাস্ক ব্যবহার তিন গুণ বাড়ানো সম্ভব : বিআইডিএসের গবেষণা

আপডেট : ১০ জুন ২০২১, ০০:২১

দেশে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করা সম্ভব হলে স্থানভেদে ১৩ শতাংশ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত মাস্ক ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব বলে এক জরিপে উঠে এসছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জরিপে বলা হয়েছে, দেশে গত বছরের মে মাসে ৫১ শতাংশ মানুষকে মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা গেছে। তবে জুন মাসে এই হার ২৬ শতাংশে নেমে আসে। জরিপে অংশ নেওয়ামাত্র ২০ শতাংশ মানুষকে সঠিকভাবে মাস্ক পরতে দেখা গেছে। মানুষের কাছে বিনা পয়সায় মাস্ক পৌঁছে দিতে খরচ হবে জনপ্রতি ১০ টাকা।

গতকাল বুধবার মাস্ক ব্যবহার:স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক প্রভাব শিরোনামে সংলাপের আয়োজন করে বিআইডিএস। বিআইডিএসের মহাপরিচালক বিনায়ক সেনের সঞ্চালনায় ভার্চুল আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আবদুর রউফ তালুকদার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুশফিক মোবারক ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। মুশফিক মোবারক বলেন, প্রচারকের মাধ্যমে মাস্ক ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করার ফলে মাস্কের ব্যবহার ২৯ শতাংশ হারে বাড়ে, যা ১০ সপ্তাহ পর্যন্ত টেকসই হয়। বিনা পয়সায় মাস্ক বিতরণে জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম ও প্রচারকের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

আসিফ সালেহ বলেন, করোনা ঠেকাতে বিধিনিষেধ বা লকডাউন দেওয়া হচ্ছে, এই পদ্ধতি কার্যকর নয়, বরং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে তাদের গবেষণায় উঠে এসেছে। তিনি বলেন, ব্র্যাক ইতিমধ্যে বিনা পয়সায় ৭ কোটি ৭০ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরণ করেছে। এ কাজে আরো প্রয়োজন সাড়ে ৫ কোটি সার্জিক্যাল মাস্ক, যা তৈরিতে খরচ পড়বে ২৫ কোটি টাকা। এই টাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে চাওয়া হলেও পাওয়া যায়নি।