জনসনের ৬ কোটি ডোজের টিকা ‘দূষণে ব্যবহার অনুপযোগী’

আপডেট : ১২ জুন ২০২১, ২১:০৪

জনসন অ্যান্ড জনসনের ৬ কোটি ডোজ টিকা ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে ওষুধ কোম্পানিটিকে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জনসনের ‘সংকটকবলিত’ বাল্টিমোর কারখানায় উত্পাদিত ঐ ৬ কোটি ডোজ ব্যবহার করা যাচ্ছে না সম্ভাব্য দূষণের কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে বা অন্যান্য দেশে এসব টিকার ১ কোটি ডোজ বিতরণের পরিকল্পনা করছে এফডিএ। এমারজেন্ট বায়োসলিউশনস ঠিকঠাক মতো কারখানাটিতে উত্পাদন কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল কি না সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্বেগের কারণে দুই মাস ধরে বন্ধ কারখানাটি এমারজেন্ট আবার চালু করতে পারবে কি না তা নিয়েও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে জনসন অ্যান্ড জনসনের যে টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে তা ওষুধ কোম্পানিটির নেদারল্যান্ডসের কারখানায় উত্পাদিত, যেটা এমারজেন্ট পরিচালনা করছে না। সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে এফডিএ সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেছে আটকে থাকা কমপক্ষে ১৭ কোটি ডোজ টিকা নিয়ে তারা কী করবে। বাল্টিমোরের কারখানায় বড় ধরনের উত্পাদন ত্রুটি ধরা পড়ার পর দুটি টিকার এই বিপুল চালানের মান নিয়ে সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

এমারজেন্ট পরিচালিত বাল্টিমোরের কারখানায় জনসন অ্যান্ড জনসনের ১০ কোটির বেশি এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার কমপক্ষে ৭ কোটি ডোজ টিকা উত্পাদন করা হয়। এ বছরের মার্চে এমারজেন্ট শনাক্ত করে যে এর কারখানার কর্মীরা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা প্রস্তুতে ব্যবহূত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার একটি ব্যাচের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা এ খবর জানার পর কারখানায় উত্পাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উত্পাদনে এমারজেন্টের অনুমতি বাতিল করেন এবং জনসন অ্যান্ড জনসনকে নির্দেশ দেন ঐ কারখানায় তাদের টিকার উত্পাদন কার্যক্রম সরাসরি তত্ত্বাবধানের জন্য।